Thursday, May 21
Shadow

এক্সক্লুসিভ

Exclusive investigative news of Bangladesh

গোহাটিতে আছেন কাদের? হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টাও করছেন!

গোহাটিতে আছেন কাদের? হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টাও করছেন!

এক্সক্লুসিভ
৫ আগস্ট গণ-আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়।  তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। তার দলের নেতাকর্মীরা অনেকেই পালিয়ে বিভিন্ন দেশে চলে যান; আবার অনেকেই গা ঢাকা দেন।  অনেকেই সীমান্তে ধরাও পড়েছেন। সীমান্ত পার হতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ধরা হয়।  তিনি গত ৮ নভেম্বর শেষ রাতে অবৈধ পথে ভারতে পালিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়।  গুঞ্জনের পরের দিন মধ্যরাতে পুলিশ চট্টগ্রামের হালিশহরের শান্তিবাগে কাদেরের স্ত্রী ইশরাতুন্নেসার বড় ভাই নুরুল হুদার বাসায় অভিযান চালিয়েছে। সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ মাঝারি পর্যায়ের অনেক নেতা ভারতে পালিয়েছেন। তাদের কয়েকজন জান...
ফ্রিজে মায়ের লাশ: ছেলেকে ফাঁসিয়ে দিলো র‍্যাব?

ফ্রিজে মায়ের লাশ: ছেলেকে ফাঁসিয়ে দিলো র‍্যাব?

এক্সক্লুসিভ
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় উম্মে সালমা খাতুন (৫০) হত্যাকাণ্ড নাটকীয় মোড় নিয়েছে। হাতখরচের টাকা না পেয়ে মাকে তার ছেলে হত্যা করে লাশ ফ্রিজে রেখেছিল বলে র‍্যাব যে তথ্য দিয়েছিল, তার উল্টো তথ্য রিমান্ডে দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান (১৯)। সেইসঙ্গে ফাঁসানোর কথা বলেছেন তিনি। রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার নিহতের ছেলে পুলিশের কাছে এমন তথ্য দেন। ওই তথ্যের বরাত দিয়ে ঘটনায় জড়িত তিন জনকে গ্রেফতার করে এখন পুলিশ বলছে, ছেলে নয়, বাড়ির ভাড়াটিয়ারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুপচাঁচিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত সিং। গত রবিবার দুপুরে দুপচাঁচিয়ার জয়পুরপাড়া এলাকায় ‘আজিজিয়া মঞ্জিল’ নামের চারতলা বাড়ি থেকে সালমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি দুপচাঁচিয়া দারুস সুন্ন...
পাহাড় কেটে আবাসন: থামানো যাচ্ছে না সজল-হিমেল চক্রকে

পাহাড় কেটে আবাসন: থামানো যাচ্ছে না সজল-হিমেল চক্রকে

এক্সক্লুসিভ
সূত্র: দেশ রূপান্তর চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র আসকার দীঘির পাড়ে একটি পাহাড় সাবাড় করে দেয়া হচ্ছে। চারদিকে ঘেরা দিয়ে ভেতরে পুরো পাহাড়টি কেটে ফেলার কার্যক্রম চলছে। নগরীর জালালাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় হরদম পাহাড় কাটা হচ্ছে। আর এ পাহাড় কাটার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এ প্রকল্পের মূল উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী সজল চৌধুরী ও হিমেল দাশ নামের দুই প্রভাবশালী। সিডিএ’কে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে ম্যানেজ করার তথ্য-প্রমাণও আজকের কাগজের হাতে এসে পৌঁছেছে। একাধিক পত্রিকায় খবর ছাপা হওয়ার পরও কোনো এক রহস্যজনক ক্ষমতার কারণে তারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। চট্টগ্রাম নগর উন্নয়ন কমিটির সদস্য সচিব, বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান ও ইমারত নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ‘আমি নিজে প্রকল্প এলাকা ভিজিট করেছি। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই তারা নির্মাণকাজ করছে। এ ছাড়া পাহাড়কাটার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই ত...