Friday, May 15
Shadow

কলাম

দিনের কর্মসময় কর্মনিয়োজিত থাকার আইন : অপরাধ প্রশমনের নতুন দিশা

দিনের কর্মসময় কর্মনিয়োজিত থাকার আইন : অপরাধ প্রশমনের নতুন দিশা

কলাম
…..স্বপন বিশ্বাস অপরাধ দমনে কঠোর আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রয়োজন হলেও এটি যথেষ্ট নয়। সমাজে অপরাধ কমানোর জন্য মানুষের জীবনযাত্রায় শৃঙ্খলা আনা এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। আজকের বাংলাদেশে বেকারত্ব ও অলস সময় কাটানো এক বড় সমস্যা। যখন কোনো মানুষ দিনের কর্মক্ষম সময়ে কাজে যুক্ত থাকে না, তখন তার ভেতরে অবসাদ, হতাশা বা প্রলোভন জন্ম নেয়। সেই শূন্য সময়ই অনেককে চুরি, ছিনতাই, নেশা বা সহিংসতায় ঠেলে দেয়। তাই একটি জাতীয় নীতি বা আইন প্রণয়নের সময় এসেছে, যা দিনের কর্মসময় সব শ্রেণির মানুষকে কোনো না কোনো কাজে নিয়োজিত রাখতে বাধ্য করবে।অপরাধ দমনে কর্মঘণ্টার গুরুত্ববিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময়ের একটি বড় অংশই মানুষের অলসতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে যুবসমাজ যখন বেকারত্বের বোঝা নিয়ে বসে থাকে, তখন তাদের ভেতরে অপরাধপ্রবণতার ঝুঁকি বাড়ে। কর্মঘণ্টার ভেতরে সকলে কাজে যুক্ত থাকলে অপরাধ করার...
নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন ও ভবিষ্যৎ নেপাল

নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন ও ভবিষ্যৎ নেপাল

কলাম
স্বপন বিশ্বাস: সাম্প্রতিক সময়ে এমন এক আন্দোলনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছে। তরুণ প্রজন্ম সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করতে রাজপথে নেমেছে। তাদের কণ্ঠে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, হতাশা এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই আন্দোলনের রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে আন্দোলন ক্রমশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। সরকারের পতনের দাবির পাশাপাশি রাজপথ জুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই আগুন যেন নেপালের ভবিষ্যতের দিগন্তকে ঘিরে ফেলেছে অন্ধকার মেঘে।দেশটির প্রকৌশল বিভাগ ক্ষতির হিসাব করতে গিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছে। পুড়ে যাওয়া ভবন, ভাঙা সেতু, নষ্ট হওয়া বিদ্যুৎ সরঞ্জাম, যানবাহন—এসব পুনর্নির্মাণের দায় তাদের কাঁধে এসে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “জানি না কবে, কিভাবে এ অবকাঠামো আবার দাঁড় করানো সম্ভব হবে।” নেপালের সীমিত অর্থনৈতিক ...
শিশুদের হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ?

শিশুদের হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ?

কলাম
আজিজুল ইসলাম নাফিজ : একবিংশ শতাব্দীতে এসে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এখন এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে একটিও স্মার্টফোন নেই। শুধু বড়রা নয়, শিশুদের হাতেও এর অবাধ ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। প্রায়ই মায়েরা শিশুদের কান্না থামাতে বা খাওয়ানোর জন্য তাদের হাতে মোবাইল তুলে দেন। এটি এখন প্রতিদিনের একটি চিত্র এবং শিশুদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৯২% শিশু তাদের বাবা-মায়ের স্মার্টফোন ব্যবহার করে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, শিশুদের জন্য এটি কি আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ? স্মার্টফোনকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা গেলে এটি শিশুদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।   যোগাযোগ এবং জ্ঞান অর্জন: স্মার্টফোন যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা শিশুদেরকে সারা বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের সাথে পরিচিত হতে সাহায্য করে। তারা অনলাইন সেমিনার, ওয়া...
গণতন্ত্র কি আজ ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র পরিচালনায়?

গণতন্ত্র কি আজ ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র পরিচালনায়?

কলাম
স্বপন বিশ্বাসগণতন্ত্রকে বলা হয় শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে জনপ্রিয় রূপ। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সরকার পরিবর্তনের শান্তিপূর্ণ সুযোগ—এসবই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী যেভাবে রাজনৈতিক সংকট, জনঅসন্তোষ, দুর্নীতি, সামাজিক বিভাজন ও অস্থিতিশীলতা বাড়ছে, তাতে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—গণতন্ত্র কি আর কার্যকরভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিরাপদ ব্যবস্থা? নাকি এটি এখন উল্টো ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠছে?গণতন্ত্রের মৌলিক সমস্যাগণতন্ত্র মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠতার শাসন। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছা সবসময় ন্যায্য কিংবা টেকসই নয়। অনেক সময় জনতার আবেগকে ব্যবহার করে নেতারা ক্ষমতায় আসেন, পরে তারা জনগণের স্বার্থ ভুলে গিয়ে কেবল ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনীতি করেন। ফলে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব ও আইনের শাসনের অবক্ষয় অনিবার্য হয়ে ওঠে।উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দ...
রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনের শাসন একটি দেশের উন্নয়নের পূর্ব শর্ত: স্বপন বিশ্বাস

রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনের শাসন একটি দেশের উন্নয়নের পূর্ব শর্ত: স্বপন বিশ্বাস

কলাম
কোনো দেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা অবকাঠামোগত অগ্রগতির মাধ্যমে মাপা যায় না। একটি রাষ্ট্রকে প্রকৃত অর্থে উন্নত করে তোলে তার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক সাম্য এবং আইনের শাসনের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার। কারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল ভিত গড়ে ওঠে তখনই, যখন একটি দেশের মানুষ নিরাপদে, ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশে এবং সামাজিক সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করতে পারে।রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তারাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হলো উন্নয়নের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত। স্থিতিশীল রাজনীতি মানে কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষমতায় যেই থাকুক না কেন, দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনা অব্যাহত থাকা। রাজনৈতিক অস্থিরতা, দলীয় সহিংসতা কিংবা হরতাল-অবরোধের মতো পরিস্থিতি অর্থনীতিকে অচল করে দেয়, বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করে এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ র...
শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা প্রশমন হোক

শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা প্রশমন হোক

কলাম
সাদিয়া সুলতানা রিমি  শিক্ষা জাতির অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন আজ বারবার অস্থিরতায় কাঁপছে। যে বিশ্ববিদ্যালয়, যে কলেজ কিংবা যে স্কুল হওয়ার কথা জ্ঞানচর্চার নিরাপদ আশ্রয়, সেটিই প্রায়শই রূপ নিচ্ছে সংঘাত ও সহিংসতার অঙ্গনে। এ অস্থিরতা কেবল শিক্ষার্থীর জীবনকে ব্যাহত করছে না; বরং জাতির ভবিষ্যৎ ও উন্নয়নকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রসংগঠনের দ্বন্দ্ব, হলে দখলবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ কিংবা ক্ষমতার লড়াইয়ের দৃশ্য এখন আর নতুন নয়। অনেক ক্ষেত্রে এই সহিংসতা প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। কলেজ পর্যায়ে ক্লাস বন্ধ, হরতাল কিংবা অনিয়মিত পরীক্ষা শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনকে অনিশ্চিত করছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে দেখা যায় বাণিজ্যিকীকরণ, কোচিং নির্ভরতা ও অতিরিক্ত চাপের প্রভাব। সব মিলিয়ে শিক্ষাঙ্গন জুড়ে যে পরিবেশ বিরাজ করছে, তা শান্তিপূর্ণ শিক্ষা জীবনের স...
খোলা ম্যানহোল: ঢাকার রাজপথে এক নীরব মরণফাঁদ

খোলা ম্যানহোল: ঢাকার রাজপথে এক নীরব মরণফাঁদ

কলাম
সাদিয়া সুলতানা রিমি  ঢাকা, কোটি মানুষের প্রাণের শহর। এই শহরের রাস্তাগুলো যেন এক জীবনপ্রবাহ, যেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অবিরাম ছুটে চলে মানুষ আর যানবাহন। কিন্তু এই প্রবহমান রাস্তার নিচেই লুকিয়ে আছে এক নীরব বিপদ, যা প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের জীবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে—খোলা ম্যানহোল। ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে খোলা ম্যানহোল যেন একটি মরণফাঁদ, যা কেবল প্রাণহানিই নয়, শহরের সামগ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। ঢাকার রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করা এখন এক দুঃসাহসিক অভিযান। একদিকে দ্রুতগতির যানবাহন, অন্যদিকে হুটহাট করে গজিয়ে ওঠা গর্ত আর খানাখন্দ। এরই মাঝে সবচেয়ে ভয়াবহ হলো খোলা ম্যানহোল। এগুলোর কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেই; যেকোনো ব্যস্ত সড়কের পাশে, ফুটপাতে, এমনকি মূল রাস্তার মাঝখানেও এগুলো দেখা যায়। প্রায়শই এগুলো কোনো সতর্কীকরণ চিহ্ন ছাড়াই অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকে। সামান্য বৃষ...
সাম্য, বিদ্রোহ ও মানবতার কবি : কাজী নজরুল ইসলাম

সাম্য, বিদ্রোহ ও মানবতার কবি : কাজী নজরুল ইসলাম

কলাম
স্বপন বিশ্বাস আজ ২৭ আগস্ট, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুদিন। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এই দিনটি শুধু এক কবির মৃত্যুদিন নয়, বরং বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার এক অমর কণ্ঠস্বরের অবসান ঘটার দিন। তবে তাঁর সৃষ্টির আলো আজও আমাদের পথ দেখায়, আমাদের চেতনা জাগিয়ে রাখে।১৮৯৯ সালের ২৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল ইসলাম। দারিদ্র্য ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কখনো মুয়াজ্জিন, কখনো লেটো দলে গানের অভিনেতা, আবার কখনো সেনা হিসেবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া—জীবনের বহুমুখী অভিজ্ঞতা তাঁকে গড়ে তুলেছিল বাস্তববাদী ও সংগ্রামী মানুষ হিসেবে। এই জীবনের প্রতিটি রং তিনি তাঁর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও নাটকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।নজরুল সাহিত্য জীবনে প্রবেশ করেন সাংবাদিকত...
অনলাইন জুয়ায় আসক্ত যুবসমাজ : এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার

অনলাইন জুয়ায় আসক্ত যুবসমাজ : এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার

কলাম
..... স্বপন বিশ্বাসআজকের তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির সবচেয়ে সহজলভ্য সময়ের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ও গেমিং—সবই হাতের মুঠোয়। এই প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে তাদের সম্ভাবনা উন্মোচনের শক্তিশালী হাতিয়ার। কিন্তু সেই একই প্রযুক্তি আজ তাদের জন্য হয়ে উঠছে এক ভয়ঙ্কর ফাঁদ—অনলাইন জুয়া। সামান্য কৌতূহল বা বিনোদনের নাম করে শুরু হলেও অল্প সময়েই এ নেশা গ্রাস করছে তরুণদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও পরিবার।অনলাইন জুয়া মূলত সহজ অর্থ উপার্জনের প্রলোভন দেখায়। এক ক্লিকেই খেলা, লটারি বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়া যায়। প্রথমদিকে কেউ কেউ সামান্য লাভ পেলেও খুব দ্রুতই তারা অন্ধকারের গহ্বরে তলিয়ে যায়। কারণ এই খেলার নিয়মটাই এমন, যেখানে জেতার চেয়ে হারার সম্ভাবনা বহুগুণ বেশি। একসময় খেলোয়াড় বুঝতে পারে, সে শুধু অর্থ হারাচ্ছে না, বরং নিজের সময়, মনোযোগ আর ভবিষ্যতকেও ধ্বংস করে ফেলছে।এ আসক্তির সবচে...
মুদ্রিত সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ: হারিয়ে যাওয়ার পথে, না কি রূপান্তরের সময়?

মুদ্রিত সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ: হারিয়ে যাওয়ার পথে, না কি রূপান্তরের সময়?

কলাম
লেখক: আসাদুল্লাহ আল গালিব: “আগে সকালে চা হাতে নিয়ে পেপার না পড়লে দিনটাই শুরু হতো না। এখন তো ছেলে আমার মোবাইলে হেডলাইন দেখে!” — ঢাকার পুরান ঢাকার ৬৫ বছরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদের এই কথার মাঝে যেন ধরা পড়ে যাচ্ছে মুদ্রিত সংবাদপত্রের এক টুকরো অতীত। একসময় যা ছিল প্রতিটি ঘরের নিত্য প্রয়োজন, সময়ের আবর্তে তা আজ স্মৃতি ও অভ্যাসের গহীনে হারিয়ে যাওয়ার পথে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—মুদ্রিত সংবাদপত্র (Print Media) কি সত্যিই হারিয়ে যাচ্ছে? নাকি এটি কেবল একটি রূপান্তরের সময় পার করছে? ঐতিহাসিক গৌরবের পথচলা বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে সংবাদপত্র ছিল কেবল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার। ১৮১৮ সালে প্রকাশিত ‘সমাচার দর্পণ’ থেকে শুরু করে ‘ইত্তেফাক’, ‘দৈনিক আজাদ’ কিংবা ’১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পত্রিকাগুলো ছিল স্বাধীনতার কণ্ঠস্বর। সেসময় সংবাদপত্র মানে...