Tuesday, January 27
Shadow

Tag: সাবিত রিজওয়ান

স্বার্থের সমাজে এক মানুষের আর্তনাদ 

স্বার্থের সমাজে এক মানুষের আর্তনাদ 

মনের বাঁকে, সাহিত্য
সাবিত রিজওয়ান  প্রাপকে জানিয়ে দিই, আমার বাঁচার ইচ্ছে আর নেই। কষ্টে ভরা জীবন দিয়ে কী আর করব? হতাশা আমাকে দিনে দিনে শেষ করছে। সুখের জীবন না পেয়ে আমরা শোকের জীবন পাই। আমাদেরও তো একটা সম্মান আছে, তাই না? ছোট থেকে ভুলভাল বুঝানো হয়েছে—বিধায় হতাশার সাগরে ডুবতে হয়। “গরীবের ঘরে জন্ম নেওয়া তোমার দোষ না, কিন্তু গরীব হয়ে মরাটা তোমার দোষ”—এ কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। এটা এক ধরনের মনগড়া বুলি। কারণ মানুষের হাতে সব সময় সুযোগ থাকে না। মুর্খ মানুষের হাতে টাকা গেলে তাদের কথাও হয়ে যায় মহান ‘বাণী’। কিন্তু এই কথাটা শিক্ষিতের নাকি মূর্খের—তা আমি জানি না। জীবনে সুখ আসে ভাগ্য, পরিস্থিতি ও পরিশ্রমের মিলন থেকে। কিন্তু আমাদের ভাগ্যটা খারাপ, আর পরিস্থিতিও আমাদের প্রতিদিন ঠেলে দেয় পেছনে। পরিশ্রম করার শক্তিটুকু থাকলেও সুযোগটা পাই না। আমি শুনেছি, আমাদের পূর্বপুরুষরাও অনেক পরিশ্রম করেছেন, কিন্তু উন...
শেষ আমন্ত্রণ

শেষ আমন্ত্রণ

গল্প, সাহিত্য
সাবিত রিজওয়ান তুফান সীমাকে ভালবাসে। সীমাও বলেছিল— “তোমায় অনেক ভালবাসি।” প্রেমের আট মাস কেটে গেছে ফোনে নিয়মিত আলাপে। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে কথা। সীমার কাছে সবসময় টাকা থাকে না—বাবা বা ভাই যেদিন দেয়, সেদিনই। তুফানও একইরকম—শিক্ষার্থী, নিজের আয় নেই। বাবা কিছু টাকা দিলেও কোনো মাসে দুইবার কোনো মাসে একবার দেয়, তবে মাসে একবার দেওয়া এটাই বেশি ঘটেছে। তাই তুফান চেষ্টা করে মাসে অন্তত এক-দুইবার কল দিতে। কখনো কথা হয়, কখনো ফোন বন্ধ, কখনো ব্যস্ত। এরপরের মাসে তুফানের নিজেরও টাকা প্রয়োজন পড়ে—ফোন রিচার্জ করতে পারে না। দু’মাস তারা কথা বলে না। সীমাও আর কোনোদিন কল দেয়নি। তারপরের মাসে তুফান ফোন দিলে বারবার ব্যস্ত। এভাবে তিন-চার-ছয় মাস কেটে যায়। কখনো ফের সীমার ফোন ধরেছিলেন তার বাবা-মা। সাত মাস ধরে তুফান আর সীমার কথাই হয়নি।  গাইবান্ধা যাত্রা তুফান রংপুরে থাকত। হঠাৎ বাবা তাকে গাইবান...