নানচিং গণহত্যা স্মৃতি জাদুঘর: এক টুকরো মাটির ক্ষত ও শান্তির ঘণ্টাধ্বনি
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা
চোখ বন্ধ করুন। একটি জায়গার কথা ভাবুন। পায়ের নিচে হাড়গোড়ের স্তূপ। মাথার ওপর নীরব আকাশ। চারপাশে অসংখ্য তরুণ-তরুণীর বিষণ্ন মুখ, যারা কিনা বহুকাল আগের একটি শীতের দিনে চিরকালের জন্য নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাদের আর বড় হয়ে ওঠা হয়নি, কাউকে ভালোবাসা হয়নি, দেখা হয়নি পৃথিবীর সৌন্দর্য। এটা নানচিং। এটা চিয়াংতুংমেন।
নানচিং শহরের পশ্চিমে একটি জায়গা—চিয়াংতুংমেন। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে একটি ধূসর ভবন। নীরব অথচ ভারী। ইতিহাসের মৌন সাক্ষী—যে কথা বলতে চায় না, কিন্তু নীরবও থাকতে পারে না। এটাই জাপানি আগ্রাসী বাহিনীর নানচিং গণহত্যায় নিহতদের স্মৃতি জাদুঘর।
১৯৮৫ সালে এখানে নির্মাণকাজ চলার সময় শ্রমিকদের কোদাল ও মাটি খোঁড়ার যন্ত্রে উঠে আসে এক অকল্পনীয় বাস্তবতা—একটি কঙ্কাল, তারপর আরেকটি, তারপর অগণিত অস্থি। এগুলো ছিল ১৯৩৭ সালের নানচিং গণহত্যার সময় নিহতদের তাড়াহুড়ো ক...





