
বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে অন্যতম দুইটি প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের দ্বিতীয় দিনই ফ্যামিলি কার্ড চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিকে দ্রুতই কৃষি কার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ফ্যামিলি কার্ড চূড়ান্ত করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।
মন্ত্রীরা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে হতদরিদ্রদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড চালুর পর পর্যায়ক্রমে দেশের পাঁচ কোটি পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে।পরীক্ষামূলকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু হচ্ছে। এর জন্য অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল কৃষক কার্ড বণ্টন। খুব শিগগিরই এই কার্ড চালু নিয়ে কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
তিনি বলেন, ‘কৃষক কার্ড বণ্টন নিয়ে কাজ শুরু করব শিগগিরই।
সরকারে গেলে কৃষকদের সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি প্রণোদনার জন্য কৃষক কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ড বণ্টন নিয়ে কাজ করা হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কৃষিবীমা করতে পারবেন এবং কৃষিঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।’
